নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায়  অঙ্কিত বর্মন (৩) নামে এক শিশুকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হত্যার দায় স্বীকার করে শিশুটির চাচি ফুলরানি বর্মণ আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। 

আজ শুক্রবার মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ফুলরানি বর্মন।

ওসি জানান, স্বীকারোক্তিতে ফুলরানি বর্মন জানিয়েছেন, তার শিশু সন্তানের সঙ্গে ঝগড়া করছিল অঙ্কিত। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হন। একপর্যায়ে তার পায়ে ধাক্কা দেওয়ায় অঙ্কিতের প্রতি আরো ক্ষিপ্ত হন ফুলরানি। পরে পাশের একটি ঘরে নিয়ে অঙ্কিতকে গলা কেটে হত্যা করেন তিনি।

নেত্রকোনায় পায়ে ধাক্কা লাগায় শিশুকে হত্যা করল চাচি
নিহত অঙ্কন বর্মন।

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায়  অঙ্কিত বর্মন (৩) নামে এক শিশুকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হত্যার দায় স্বীকার করে শিশুটির চাচি ফুলরানি বর্মণ আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। 

আজ শুক্রবার মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ফুলরানি বর্মন।

ওসি জানান, স্বীকারোক্তিতে ফুলরানি বর্মন জানিয়েছেন, তার শিশু সন্তানের সঙ্গে ঝগড়া করছিল অঙ্কিত। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হন। একপর্যায়ে তার পায়ে ধাক্কা দেওয়ায় অঙ্কিতের প্রতি আরো ক্ষিপ্ত হন ফুলরানি। পরে পাশের একটি ঘরে নিয়ে অঙ্কিতকে গলা কেটে হত্যা করেন তিনি।

হত্যার শিকার অঙ্কিত বর্মণ উপজেলার বরান্তর গ্রামের সাগর বর্মনের ছেলে। সাগর ঢাকার পেশাক কারখানায় কাজ করেন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত অঙ্কিতের বাবা সাগর বর্মণ ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। স্ত্রী সন্তানসহ সেখানেই বসবাস করেন।

নাতিকে দেখাশোনা করার জন্য ছেলের সঙ্গে ঢাকায় থাকেন সাগরের মা। কয়েক দিন আগে অঙ্কিতকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি উপজেলার বরান্তর গ্রামে যান তার দাদি। গত সোমবার দুপুরে বাড়ির উঠানে খেলা করছিল অঙ্কিত। তার দাদি পাশের বাড়িতে গিয়েছিল। এদিকে তার চাচারাও বাড়ির বাইরে নিজেদের কাজে ব্যস্ত।

দাদি পাশের বাড়ি থেকে ফিরে এসে  অঙ্কনকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অনেক খোঁজাখুঁজি করে পাশের বাড়ির সুকুমার বর্মণ নামে এক আত্মীয়ের ঘরের ভেতরে বিছানা থেকে গলা কাটা অবস্থায় অঙ্কিতকে পাওয়া যায়। দ্রুত উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করে। আটকরা হলেন  অঙ্কিতের চাচা রাজন চন্দ্র বর্মণ (২৮), চাচা লিটন বর্মণের স্ত্রী ফুলরানি বর্মণ (৪২), আত্মীয় সুকুমার বর্মণ (৫৪) ও তার স্ত্রী মায়ারানি বর্মণ (৪৫)।  ঘটনার পরদিন অঙ্কিতের বাবা বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। 

বুধবার তাদের আদালতে হাজির করা হলে ফুলরানি বর্মণ হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। 

মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে ওই চারজনই বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।