পত্রিকাটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘাত ইরানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতাকে দুর্বল না করে বরং কিছু ক্ষেত্রে আরও সংগঠিত ও কার্যকর করে তুলেছে। বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরান নতুনভাবে জোর দিয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যুদ্ধ চলাকালে ইরান তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করতে পেরেছে এবং দ্রুত তা উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে একই ধরনের আক্রমণ মোকাবিলায় তারা আরও প্রস্তুত।

এছাড়া, আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয়ও জোরদার করেছে তেহরান। বিভিন্ন প্রতিরোধ গোষ্ঠী ও মিত্র শক্তির সঙ্গে সমন্বয়ের ফলে তাদের কৌশলগত প্রভাব আগের তুলনায় বিস্তৃত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডনের বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতির পর ইরান কূটনৈতিক দিক থেকেও সক্রিয় হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা এবং সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করছে দেশটি।

তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এই শক্তিশালী অবস্থান সত্ত্বেও অর্থনৈতিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা এবং অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ এখনো ইরানের জন্য বড় বাধা হয়ে রয়েছে। তাই দীর্ঘমেয়াদে এই শক্তি ধরে রাখা কতটা সম্ভব, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।