কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মারধর ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত দুই সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলার পর আবারও সাংবাদিকদের ওপর ‘গণধোলাই’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন জেলা যুবদলের এক নেতা।

রোববার বিকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছলে সেখানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমির আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন যুবদল নেতাকর্মী সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালান।

হামলায় আহত হয়েছেন গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধা ও স্থানীয় টেলিগ্রাম নিউজের সাংবাদিক মুহাম্মদ আবান এবং কালের কণ্ঠ অনলাইনের কক্সবাজার প্রতিনিধি মিশু দাশ গুপ্তসহ কয়েকজন সাংবাদিক। হামলার সময় সাংবাদিক আবানকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজও পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

হামলার পাশাপাশি কয়েকজন সাংবাদিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিবিসি টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন বাবুর মোবাইল ফোন এবং কক্সবাজার বার্তার জালালের মোবাইল ফোন। মোট তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে।

মারধরের বিষয়ে আহত সাংবাদিক আবান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখানে, তোদের কী— এই কথা বলে প্রথমে বুকে লাথি মারেন যুবদল নেতা আমির আলি। পরে আমাকে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম মিয়াজিসহ কয়েকজন মিলে এলোপাতাড়ি লাথি মারতে থাকেন।

রোববার বিকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছলে সেখানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমির আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন যুবদল নেতাকর্মী সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালান।

হামলায় আহত হয়েছেন গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধা ও স্থানীয় টেলিগ্রাম নিউজের সাংবাদিক মুহাম্মদ আবান এবং কালের কণ্ঠ অনলাইনের কক্সবাজার প্রতিনিধি মিশু দাশ গুপ্তসহ কয়েকজন সাংবাদিক। হামলার সময় সাংবাদিক আবানকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজও পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

হামলার পাশাপাশি কয়েকজন সাংবাদিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিবিসি টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন বাবুর মোবাইল ফোন এবং কক্সবাজার বার্তার জালালের মোবাইল ফোন। মোট তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে।

মারধরের বিষয়ে আহত সাংবাদিক আবান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখানে, তোদের কী— এই কথা বলে প্রথমে বুকে লাথি মারেন যুবদল নেতা আমির আলি। পরে আমাকে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম মিয়াজিসহ কয়েকজন মিলে এলোপাতাড়ি লাথি মারতে থাকেন।

এদিকে ঘটনার পরপরই সাংবাদিকরা কক্সবাজারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন।

তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় ধরনের হুমকি।